সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট পালপাড়ায় প্রতিমা কারিগরদের সঙ্গে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ভদ্রঘাট ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ভদ্রঘাট পালপাড়ায় প্রস্তুত প্রতিমা শুধু সিরাজগঞ্জ নয়, আশপাশের অন্তত পাঁচটি জেলার দুর্গাপূজায় ব্যবহৃত হয়। এ কারণে পালপাড়ার উন্নয়ন, প্রতিমা নির্মাণকালীন নিরাপত্তা ও কারিগরদের জীবনমান উন্নয়নে জেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।” অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। সভায় বক্তারা প্রতিমা শিল্পের ঐতিহ্য রক্ষা, কারিগরদের কল্যাণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
67
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট পালপাড়ায় প্রতিমা কারিগরদের সঙ্গে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ভদ্রঘাট ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ভদ্রঘাট পালপাড়ায় প্রস্তুত প্রতিমা শুধু সিরাজগঞ্জ নয়, আশপাশের অন্তত পাঁচটি জেলার দুর্গাপূজায় ব্যবহৃত হয়। এ কারণে পালপাড়ার উন্নয়ন, প্রতিমা নির্মাণকালীন নিরাপত্তা ও কারিগরদের জীবনমান উন্নয়নে জেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
সভায় বক্তারা প্রতিমা শিল্পের ঐতিহ্য রক্ষা, কারিগরদের কল্যাণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।