সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে কৃষি জমিতে রিয়া অটো রাইস মিল স্থাপন ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসী। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কৃষক এস এম সোহাগ সরকারের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। রায়গঞ্জ থানা পুলিশ ও র্যাব-১২ এর সদস্যরা মানবন্ধনের সময় আশেপাশে উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চান্দাইকোনা মৌজায় প্রভাবশালীদের ‘বিসমিল্লাহ অটো রাইস মিল’ নামের অবৈধ মিল রাতারাতি নাম পরিবর্তন করে ‘রিয়া অটো রাইস মিল’ হিসেবে পরিবেশ ছাড়পত্র ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননের অনুমতি পেয়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশের অভিযোগও তুলেছেন তারা। ভুক্তভোগী কৃষক এস এম সোহাগ হোসেন বলেন, “রাইস মিল বন্ধ না হলে এর বিষাক্ত কালো ধোঁয়া, গ্যাস ও বর্জ্যে এলাকা মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।” তিনি অবিলম্বে পরিবেশগত ছাড়পত্র বাতিল ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধের দাবি জানান। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন চান্দাইকোনা ইউনিয়ন কৃষকদলের সিনিয়র সহসভাপতি রুবেল সরকার, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, কৃষকদল নেতা মোমিন মিয়া, বাবু শেখ, বিএনপি নেতা আবু ওয়াজেদ সরকার প্রমুখ। শত শত ভুক্তভোগী কৃষক এতে অংশ নেন। এর আগে, মিলটির বিষাক্ত ধোঁয়া, পানি ও ছাইয়ের কারণে ফসল ও পরিবেশ নষ্টের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখা কর্তৃপক্ষ মিল মালিকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছিল।
66
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে কৃষি জমিতে রিয়া অটো রাইস মিল স্থাপন ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসী।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কৃষক এস এম সোহাগ সরকারের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। রায়গঞ্জ থানা পুলিশ ও র্যাব-১২ এর সদস্যরা মানবন্ধনের সময় আশেপাশে উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চান্দাইকোনা মৌজায় প্রভাবশালীদের ‘বিসমিল্লাহ অটো রাইস মিল’ নামের অবৈধ মিল রাতারাতি নাম পরিবর্তন করে ‘রিয়া অটো রাইস মিল’ হিসেবে পরিবেশ ছাড়পত্র ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননের অনুমতি পেয়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশের অভিযোগও তুলেছেন তারা।
ভুক্তভোগী কৃষক এস এম সোহাগ হোসেন বলেন, “রাইস মিল বন্ধ না হলে এর বিষাক্ত কালো ধোঁয়া, গ্যাস ও বর্জ্যে এলাকা মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।” তিনি অবিলম্বে পরিবেশগত ছাড়পত্র বাতিল ও তিন ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধের দাবি জানান।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন চান্দাইকোনা ইউনিয়ন কৃষকদলের সিনিয়র সহসভাপতি রুবেল সরকার, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, কৃষকদল নেতা মোমিন মিয়া, বাবু শেখ, বিএনপি নেতা আবু ওয়াজেদ সরকার প্রমুখ। শত শত ভুক্তভোগী কৃষক এতে অংশ নেন।
এর আগে, মিলটির বিষাক্ত ধোঁয়া, পানি ও ছাইয়ের কারণে ফসল ও পরিবেশ নষ্টের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখা কর্তৃপক্ষ মিল মালিকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছিল।