বেলকুচিতে কারখানার বর্জ্য বিলের পানিতে, মারা গেছে প্রচুর মাছ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
বেলকুচিতে কারখানার বর্জ্য বিলের পানিতে, মারা গেছে প্রচুর মাছ
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচিতে বেশ কিছু প্রসেস মিলের কেমিক্যাল বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে বিলের মাছ মারা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের মৎস্যচাষী আব্দুল আলীম। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে বিলের পানিতে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মৎস্যচাষী আব্দুল আলীম বলেন, তামাই গ্রামে হাজি সিরাজুল রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, বাশার আলী রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হাবিবুল্লা রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হিরণ মুন্সি প্রসেস মিল, হাফেজ মুন্সি ডাইং মিল, শওকত ফিরোজা ডাইং মিলসহ বেশ কয়েকটি অবৈধ কারখানার কেমিক্যালের বর্জ্য বিলের পানিতে মিশছে। মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্যের কারণে বিলের মাছ মরে যাচ্ছে। সরকারি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম রয়েছে প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য শোধনাগারের জন্য ইটিপি প্ল্যান্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কলকারখানায় ইটিপি প্ল্যান্ট চালু না করেই দূষিত বর্জ্য রাতের আঁধারে মোটরচালিত পাম্প দিয়ে বিলের মধ্যে ফেলছে। কারখানার দূষিত বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে মাছ মরে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে ব্যাপক হারে মাছ মারা যাচ্ছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আল মাসুদ এ বিষয়ে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিন গিয়ে পরিদর্শন করে বিলের দূষণ বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’ সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, ‘অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। বেলকুচিতে বিলে কেমিক্যালের বর্জ্যে মাছ মরে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়েছি। সেখানে গিয়ে অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব।’
66
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচিতে বেশ কিছু প্রসেস মিলের কেমিক্যাল বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে বিলের মাছ মারা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের মৎস্যচাষী আব্দুল আলীম। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে বিলের পানিতে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা গেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মৎস্যচাষী আব্দুল আলীম বলেন, তামাই গ্রামে হাজি সিরাজুল রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, বাশার আলী রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হাবিবুল্লা রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হিরণ মুন্সি প্রসেস মিল, হাফেজ মুন্সি ডাইং মিল, শওকত ফিরোজা ডাইং মিলসহ বেশ কয়েকটি অবৈধ কারখানার কেমিক্যালের বর্জ্য বিলের পানিতে মিশছে। মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্যের কারণে বিলের মাছ মরে যাচ্ছে। সরকারি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম রয়েছে প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য শোধনাগারের জন্য ইটিপি প্ল্যান্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কলকারখানায় ইটিপি প্ল্যান্ট চালু না করেই দূষিত বর্জ্য রাতের আঁধারে মোটরচালিত পাম্প দিয়ে বিলের মধ্যে ফেলছে। কারখানার দূষিত বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে মাছ মরে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে ব্যাপক হারে মাছ মারা যাচ্ছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আল মাসুদ এ বিষয়ে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিন গিয়ে পরিদর্শন করে বিলের দূষণ বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, ‘অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। বেলকুচিতে বিলে কেমিক্যালের বর্জ্যে মাছ মরে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়েছি। সেখানে গিয়ে অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব।’