সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উত্তর ওয়াপদা বাঁধ সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় দেড় কিলোমিটারজুড়ে সড়কটি খানাখন্দে ভরে জনদুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এলজিইডির অধীনে থাকা সড়কের পিচ, খোয়া ও বালু উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝুঁকিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো পথচারী ও যাত্রী। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কে কোনো সংস্কার হয়নি। বর্ষার বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে চলাচল একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পায়ে হেঁটেও চলতে পারছেন না অনেকে। উত্তর ওয়াপদা বাঁধ থেকে তাড়াশ উপজেলা হাসপাতাল পর্যন্ত অংশে সড়কটি এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জানানোর পরও কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান বলেন, “জনস্বার্থে সড়কটি পুনঃনির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।”
54
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উত্তর ওয়াপদা বাঁধ সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় দেড় কিলোমিটারজুড়ে সড়কটি খানাখন্দে ভরে জনদুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এলজিইডির অধীনে থাকা সড়কের পিচ, খোয়া ও বালু উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝুঁকিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো পথচারী ও যাত্রী।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কে কোনো সংস্কার হয়নি। বর্ষার বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে চলাচল একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পায়ে হেঁটেও চলতে পারছেন না অনেকে। উত্তর ওয়াপদা বাঁধ থেকে তাড়াশ উপজেলা হাসপাতাল পর্যন্ত অংশে সড়কটি এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জানানোর পরও কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান বলেন, “জনস্বার্থে সড়কটি পুনঃনির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।”