সিরাজগঞ্জে আইসিটি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৫ কোটি পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সহায়তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে আইসিটি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৫ কোটি পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সহায়তা
সিরাজগঞ্জ জেলার উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের Entrepreneurship Support Fund (ESF) এখন বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে। সম্ভাবনাময় ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত সফটওয়্যার শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ২ শতাংশ সরল সুদে ৫০ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সিরাজগঞ্জের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা এই সুযোগকে আরও সমৃদ্ধ করছে। এখানে রয়েছে বিপুল পরিমাণ খালি জমি, প্রবাহমান যমুনা নদী যা পরিবহন ও লজিস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে, এবং রয়েছে দক্ষ আইসিটি যুব উদ্যোক্তা যারা আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সেবা দিতে সক্ষম। এসব কারণে জেলা পর্যায়ে নতুন ব্যবসা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পের জন্য সিরাজগঞ্জকে অন্যতম সম্ভাবনাময় এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০০১ সালে ‘ইক্যুইটি অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনারশিপ ফান্ড (EEF)’ হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই তহবিল ২০১৮ সাল থেকে ESF ঋণ মডেল মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আইসিটি খাতের সফটওয়্যার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP), কল সেন্টার, হার্ডওয়্যার/হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট উৎপাদনকারী এবং আইটি-সক্ষম সেবা (ITES) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই ঋণ সহায়তা পেতে পারে। প্রকল্প ব্যয় ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে হবে, উদ্যোক্তা ও সরকারের অর্থায়নের অনুপাত হবে যথাক্রমে ৫১% ও ৪৯%। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক হতে হবে, ঋণ খেলাপি হওয়া যাবে না, ব্যাংক হিসাবধারী ও নিয়মিত করদাতা হতে হবে এবং কোনো ধরনের ব্যাংক ঋণ থাকা চলবে না। আইসিটি খাতভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং RJSC-তে (লিমিটেড কোম্পানি) নিবন্ধনের পর এক বছর পূর্ণ হতে হবে। যোগ্য ও দক্ষ উদ্যোক্তারা অগ্রাধিকার পাবেন। সরকার জানিয়েছে, চার বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ আট বছরের মধ্যে সরকারি শেয়ার বাই-ব্যাকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের প্রকল্পের পূর্ণ মালিকানা নিতে পারবেন। ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিরাজগঞ্জকে আইসিটি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের নতুন হাবে রূপান্তরিত করুন। আরো তথ্যের প্রয়োজনে www.eef.gov.bd বিস্তারিত বিজ্ঞাপন
92
সিরাজগঞ্জ জেলার উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের Entrepreneurship Support Fund (ESF) এখন বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে। সম্ভাবনাময় ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত সফটওয়্যার শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ২ শতাংশ সরল সুদে ৫০ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সিরাজগঞ্জের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা এই সুযোগকে আরও সমৃদ্ধ করছে। এখানে রয়েছে বিপুল পরিমাণ খালি জমি, প্রবাহমান যমুনা নদী যা পরিবহন ও লজিস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে, এবং রয়েছে দক্ষ আইসিটি যুব উদ্যোক্তা যারা আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সেবা দিতে সক্ষম। এসব কারণে জেলা পর্যায়ে নতুন ব্যবসা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পের জন্য সিরাজগঞ্জকে অন্যতম সম্ভাবনাময় এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
২০০১ সালে ‘ইক্যুইটি অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনারশিপ ফান্ড (EEF)’ হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই তহবিল ২০১৮ সাল থেকে ESF ঋণ মডেল মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আইসিটি খাতের সফটওয়্যার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP), কল সেন্টার, হার্ডওয়্যার/হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট উৎপাদনকারী এবং আইটি-সক্ষম সেবা (ITES) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই ঋণ সহায়তা পেতে পারে। প্রকল্প ব্যয় ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে হবে, উদ্যোক্তা ও সরকারের অর্থায়নের অনুপাত হবে যথাক্রমে ৫১% ও ৪৯%।
আবেদনকারীকে বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক হতে হবে, ঋণ খেলাপি হওয়া যাবে না, ব্যাংক হিসাবধারী ও নিয়মিত করদাতা হতে হবে এবং কোনো ধরনের ব্যাংক ঋণ থাকা চলবে না। আইসিটি খাতভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং RJSC-তে (লিমিটেড কোম্পানি) নিবন্ধনের পর এক বছর পূর্ণ হতে হবে। যোগ্য ও দক্ষ উদ্যোক্তারা অগ্রাধিকার পাবেন।
সরকার জানিয়েছে, চার বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ আট বছরের মধ্যে সরকারি শেয়ার বাই-ব্যাকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের প্রকল্পের পূর্ণ মালিকানা নিতে পারবেন। ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিরাজগঞ্জকে আইসিটি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের নতুন হাবে রূপান্তরিত করুন।