1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
                   
                       

তাড়াশে সড়ক মেরামতে অনিয়ম-নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
102

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাটাগাড়ী আঞ্চলিক সড়ক মেরামত কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চুক্তির শর্ত উপেক্ষা করে ইচ্ছেমতো কাজ করছে, যা সড়কের স্থায়িত্ব ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, সড়কের দুই পাশে সাব-বেজ তৈরিতে অতি নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী তিন ফিট প্রশস্ত সোল্ডার তৈরির কথা থাকলেও বাস্তবে খাল থেকে কাদামাটি তুলে খুবই সরু করে সোল্ডার করা হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে মাটি ধ্বসে খালের মধ্যে চলে যাওয়ার পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে ভাঙন ধরার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়, উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের “উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের” আওতায় তাড়াশ উপজেলা সদর থেকে কাটাগাড়ী পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক মেরামতের কাজ পায় চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ২০ কোটি ৫২ লাখ ৬৫ হাজার ১৩৭ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ১৯ কোটি ৩৮ লাখ ৫২ হাজার ১৯৫ টাকা। সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছেন সিরাজগঞ্জের মির্জা সাইফুল ও মাহবুব চৌধুরী।

তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাব-ঠিকাদাররা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করছেন না। নিম্নমানের খোয়া ও বালু দিয়ে সড়কের দুই পাশে সাব-বেজ তৈরি করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সড়কের ক্ষতির কারণ হবে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ১১০ জন এলাকাবাসীর স্বাক্ষরে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। জেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়কেও লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাটাগাড়ী আঞ্চলিক সড়কের ভাদাশ ও সেরাজপুর গ্রাম এলাকায় শ্রমিকরা খাল থেকে কাদামাটি তুলে সোল্ডারে ফেলছেন। ভোগলমান চার মাথা গ্রাম এলাকায় নিম্নমানের ইট ও খোয়া মজুদ করে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াহাব মনির বলেন, মির্জা সাইফুল ও মাহবুব নামের দুই সাব-ঠিকাদার চুক্তি অনুযায়ী কাজ করছেন না। স্পেসিফিকেশন বহির্ভূত ও ল্যাব টেস্ট ছাড়াই নিম্নমানের খোয়া মজুদ ও ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়কের দুই পাশে কাদামাটি দিয়ে সরু করে সোল্ডার করা হচ্ছে।

মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. ইউনুস এন্ড ব্রাদার্সের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সাব-ঠিকাদার মির্জা সাইফুল ফোন কেটে দেন এবং পরে আর ফোন রিসিভ করেননি। মাহবুব চৌধুরী পরে কথা বলবেন বলে জানালেও তাকে আর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, সাব-ঠিকাদারদের চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রকৌশলীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান বলেন, বিষয়টি দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কাটাগাড়ী সড়ক মেরামত কাজে অনিয়মের অভিযোগ ডাকযোগে পেয়েছেন এলাকাবাসীর কাছ থেকে। বিষয়টি জেলা প্রকৌশলীকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত