বিসিক শিল্প পার্কে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি, কর্মসংস্থানের বিরাট আশা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
বিসিক শিল্প পার্কে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি, কর্মসংস্থানের বিরাট আশা
সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে যমুনা নদীর তীরে বিসিক শিল্প পার্কটির নির্মাণ কাজ শেষে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এরইমধ্যে প্লট বরাদ্দের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে দেশি-বিদেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা। শিল্প পার্কটি চালু হলে এই অঞ্চলে মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বেকারত্বও দূর হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিসিক কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা বলছেন একজন বলেন, ‘দেশ-বিদেশ থেকে অনেক লোক আসবে উদ্যোক্তারা আসবে। আমরা সহযোগিতা করবো। এখানকার যে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এর পণ্য সুন্দরভাবে দক্ষিণাঞ্চলেও পরিবহন করতে পারবে।’ তারা আরো বলছেন, সড়ক নৌ ও রেল পথের সুব্যবস্থা থাকায় বিসিক শিল্প পার্কের উদ্যোক্তারা বাড়তি সুবিধার পাশাপাশি স্বল্প খরচে ও কম সময়ে পণ্য আনা নেয়া করতে পারবেন। শ্রম বাজার সৃষ্টি হলে দূর হবে বেকারত্ব, এতে এ অঞ্চলের আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। প্রকল্প সূত্রে জানাগেছে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৭১৯ কোটি ২১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পটি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৭টি মৌজার প্রায় ৪’শ একর জমির ওপর নির্মাণ করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। পার্কে ৮২৯টি প্লটে অন্তত ৫৭০টি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। ২০১০ সালের আগস্টের শেষে একনেক সভায় সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়। পার্ক এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি, প্রশাসনিক জোন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, আবাসিক কোয়ার্টার, রেস্টুরেন্ট ও মার্কেটের কাজ শেষ হয়েছে। শিল্পপার্কের সৌন্দর্য বাড়াতে সবুজ বৃত্তসহ একটি হ্রদ নির্মাণ হবে। ইতিমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর মাসে বিসিকের ৮১৯তম সভায় সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কটির ১৮০ একর জমি চায়না মালিকানাধীন সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীর অনুকূলে বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। পার্কে তিন ধরনের ফ্যাসিলিটিজ রয়েছে। সড়ক পথ রয়েছে, রেলপথের সংযোগ রয়েছে, এছাড়াও নদী পথেরও একটা সংযোগ রয়েছে। এই তিনটি পরিবহনের দিকে একটা নতুন দিক পাবে বলে উদ্যোক্তারা এখানে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
218
সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে যমুনা নদীর তীরে বিসিক শিল্প পার্কটির নির্মাণ কাজ শেষে প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এরইমধ্যে প্লট বরাদ্দের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে দেশি-বিদেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা। শিল্প পার্কটি চালু হলে এই অঞ্চলে মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বেকারত্বও দূর হবে।
ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিসিক কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন একজন বলেন, ‘দেশ-বিদেশ থেকে অনেক লোক আসবে উদ্যোক্তারা আসবে। আমরা সহযোগিতা করবো। এখানকার যে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এর পণ্য সুন্দরভাবে দক্ষিণাঞ্চলেও পরিবহন করতে পারবে।’
তারা আরো বলছেন, সড়ক নৌ ও রেল পথের সুব্যবস্থা থাকায় বিসিক শিল্প পার্কের উদ্যোক্তারা বাড়তি সুবিধার পাশাপাশি স্বল্প খরচে ও কম সময়ে পণ্য আনা নেয়া করতে পারবেন। শ্রম বাজার সৃষ্টি হলে দূর হবে বেকারত্ব, এতে এ অঞ্চলের আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে।
প্রকল্প সূত্রে জানাগেছে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৭১৯ কোটি ২১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পটি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৭টি মৌজার প্রায় ৪’শ একর জমির ওপর নির্মাণ করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। পার্কে ৮২৯টি প্লটে অন্তত ৫৭০টি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে।
২০১০ সালের আগস্টের শেষে একনেক সভায় সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়। পার্ক এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি, প্রশাসনিক জোন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, আবাসিক কোয়ার্টার, রেস্টুরেন্ট ও মার্কেটের কাজ শেষ হয়েছে। শিল্পপার্কের সৌন্দর্য বাড়াতে সবুজ বৃত্তসহ একটি হ্রদ নির্মাণ হবে।
ইতিমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর মাসে বিসিকের ৮১৯তম সভায় সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কটির ১৮০ একর জমি চায়না মালিকানাধীন সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীর অনুকূলে বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।
পার্কে তিন ধরনের ফ্যাসিলিটিজ রয়েছে। সড়ক পথ রয়েছে, রেলপথের সংযোগ রয়েছে, এছাড়াও নদী পথেরও একটা সংযোগ রয়েছে। এই তিনটি পরিবহনের দিকে একটা নতুন দিক পাবে বলে উদ্যোক্তারা এখানে আগ্রহ দেখাচ্ছে।