1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
জননেতা মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন |
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ যমুনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে কলেজছাত্র নিখোঁজ বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রচারণা শুরু চৌহালীতে বন্যা পূর্বাভাসভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ে সমন্বয় সভা সিরাজগঞ্জে ছাত্রদলে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ৬০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ এম হাফিজউদ্দিন খানের ইন্তেকালে সিসাসের গভীর শোক সিরাজগঞ্জের কৃতি মানুষ ও সাবেক সচিব এম হাফিজউদ্দিন খান আর নেই শাহজাদপুর আসনে জামায়াত জোটের দুই দল মুখোমুখি সিরাজগঞ্জ-২: একই মঞ্চে সব প্রার্থীর ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা
                   
                       

জননেতা মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
জননেতা মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন
35

‎সিরাজগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্যেদিয়ে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, সিরাজগঞ্জ-২ সদর আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী’র ঘনিষ্ঠ সহচর, বর্ষিয়ান জননেতা মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০ টায় মালশাপাড়া পৌর কবরস্থান প্রাঙ্গনে মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামান স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মরহুমের কবর জিয়ারত, কোরআন খতম, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামান স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব মোঃ আক্তারুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মিলন ইসলাম খান। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুমের জ্যেষ্ঠপুত্র মির্জা মোস্তফা জামান।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের কর্ম ও জীবনের উপরে তাৎপর্য মূলক বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, ডাঃ আব্দুল লতিফ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র এডভোকেট মোকাদ্দেস আলী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপি উপদেষ্টা নিয়ামত আলী সাজু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম উদ্দীন, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম ইন্না, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক জিএস ডলার, জেলা জাসদের আহবায়ক নব কুমার, জেলা বিএনপি নির্বাহী সদস্য আক্কাস তালুকদার, ‎বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ নাজমুল ইসলাম, জেলা ছাত্র দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব রহমতুল্লাহ রাফি, প্রমুখ, আলোচনা সভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ পৌর মালশাপাড়া কবরস্থান জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা জুবায়ের হোসেন। এছাড়া আজ বাদ আছর পৌর এলাকার ধানবান্ধি বিএল স্কুল রোড জামে মসজিদ ও বাদ মাগরিব জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

‎জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর থানাধীন কাওয়াকোলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কুড়িপাড়া গ্রামে ১৯৩৯ সালের ১১ই মার্চে এক সম্রান্ত কৃষক পরিবারে মির্জা মোরাদুজ্জামান জন্মগ্রহন করেন। পিতা মির্জা জহিরউদ্দিন ছিলেন তদানিন্তন কংগ্রেস আন্দোলনের একজন স্থানীয় নেতা।

‎মির্জা মোরাদুজ্জামান সিরাজগঞ্জ মুসলিম হাই স্কুলে ছাত্রাবস্থায় প্রত্যক্ষ রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে পড়েন। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই রাজনীতিতে সক্রিয়তা বেড়ে উঠেন। তৎকালীন ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের মধ্যে বিড়ি-শ্রমিকদের সংগঠিত করে তাদের বাঁচার দাবী পাট-সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জে জুটমিল প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এই আন্দোলনের ফলে পূর্ব পাকিস্তানের গর্ভনর জেনারেল আজম খান সিরাজগঞ্জে আসেন এবং নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার পর জুট মিল প্রতিষ্ঠার পর বহু বেকার বিড়ি শ্রমিক জুট মিলে চাকরি পায়। ১৯৬৩ সালে মিল শ্রমিকদের নিয়ে কওমী মজদুর ইউনিয়ন গঠনেও তিনি মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৪ সালে কওমী জুট মিলের শ্রমিক নেতৃবন্দ কারাগারে গেলে তিনি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে আইয়ুব খান এবং পাক গর্ভণর মোনায়েম খান বিরোধী শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মির্জা মোরাদুজ্জামানসহ ১৭ জন নেতা কর্মী গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ১১ মাস কারা ভোগের পর তিনি আবারো রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। মির্জা মোরাদুজ্জামান অকুতোভয় নেতা মাওলানা ভাসানীর রাজনীতিকে উর্ধ্বে তুলে ধরেন। তিনি ন্যাপের সভাপতি নির্বাচিত হন। পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠী ১৯৭১ সালে ২৫ শে মার্চ নিরীহ বাঙ্গালীদের হত্যা যজ্ঞে মেতে উঠে। এ সময় মির্জা মোরাদুজ্জামান মাওলানা ভাসানীর সাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন।

‎১৯৭৬ সালে মাওলানা ভাসানীর মৃত্যুর পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করলে মির্জা মোরাদুজ্জামান বিএনপি গঠনে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে পড়েন। স্বৈরাচারের পতনের পর ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ সদর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে মির্জা মোরাদুজ্জামান বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

‎সিরাজগঞ্জের সর্বজন শ্রদ্ধেয় জননেতা মির্জা মোরাদুজ্জামান ১৯৯৫ সালের ১৮ জুলাই ভোরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মরহুম মির্জা মোরাদুজ্জামানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সম্মানে সিরাজগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাণিজ্য ভবনকে মির্জা মোরাদুজ্জামান ভবন নামে নামকরণ করা হয়েছে।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!